Best tourism places in Dinajpur Rajbari.

Dinajpur rajbari,main gate, dinajpur jomidar bari, dinajpur historicl place

Rajbari

ইলিয়াস শাহীর শাসনামলে সুপরিচিত “রাজা গণেশ” এই বাড়ির স্থপতি। রাজা দিনরাজ ঘোষ গৌড়েশ্বর গণেশনারায়ণের (১৪১৪-১৪১৮ খ্রি:) অন্যতম রাজকর্মচারী। তিনি ছিলেন উত্তর রাঢ়ের কুলীন কায়স্থ । রাজা দিনরাজের নাম থেকেই রাজ্যের নাম হয় ‘দিনরাজপুর‘, যা বারেন্দ্র বঙ্গীয় উপভাষায় পরিবর্তিত হয়ে হয় দিনাজপুর । গৌড় সংলগ্ন সনাতনী রাজ্য দিনাজপুর পাঠান, মুঘল ও নবাবদের বহু যুদ্ধে পরাস্ত করে চিরকাল এসেছে ।সপ্তদশ শতাব্দীর শেষের দিকে শ্রীমন্ত দত্ত চৌধুরী দিনাজপুরের জমিদার হন। কিন্তু শ্রীমন্ত দত্ত চৌধুরীর ছেলের অকাল মৃত্যুর হওয়াতে, তার ভাগ্নে “সুখদেব ঘোষ” তার সম্পত্তির উত্তরাধিকার হন।

The palace was a symbol for the greater Dinajpur district from 1806 to 1951.The building is divided into 3 mahals, these are the Aina Mahal which houses a court house decorated with glass and marble, a library and a treasure house (Toshakhana), in addition to the Rajbari consists of the Mahal Rani, in which part of the old structure was demolished in the 30's to build a building that is used as a shelter for families run by the Department of Social Services
Dinajpur temple gate

যেভাবে যাবেন:

ঢাকা থেকে বাস ও ট্রেন দুই পথেই যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে দিনাজপুরগামী বাসগুলো সাধারণত ছাড়ে গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে। ঢাকা থেকে আসাদগেট, কলেজগেট, শ্যামলী, কল্যাণপুর, টেকনিক্যাল মোড় অথবা গাবতলী থেকে শ্যামলি, হানিফ, নাবিল, বাবলু এন্টারপ্রাইজ সহ অনেক বাস সরাসরি দিনাজপুর যায়। প্রায় সারাদিন ৩০ মিনিট বা ১ ঘণ্টা পরপর গাড়িগুলো ছাড়ে। তা ছাড়া উত্তরা থেকেও কিছু বাস দিনাজপুর যায়।

অথবা ট্রেনে যেতে চাইলে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর ট্রেন দ্রুতযান এক্সপ্রেস ছাড়ে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে। আর আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ছাড়ে সকালে। দিনাজপুর শহর থেকে অটোরিকশায় পৌঁছে যাওয়া যায় এ রাজবাড়িতে।

Dinajpur rajbari,main gate, dinajpur jomidar bari, dinajpur historicl place
Dinajpur rajbari

দিনাজপুরের যুদ্ধ (১৭২২ খ্রি:)

দিনাজপুরের মহারাজা প্রাণনাথ রায়’র শাসনকালে রাজ্যের ক্ষমতা প্রভূত বৃদ্ধি পায় । মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্দ্বন্দ্ব’র সুযোগে তিনি তার প্রতিবেশী মুঘল অধিকৃত অঞ্চলের জমিদার ও তালুকদারদের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগ করে নিজের রাজ্যের পরিধি বাড়িয়ে নিয়েছিলেন । তাঁর চল্লিশ বছরের শাসনকালে দিনাজপুর রাজ্য বাংলার প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল।

Dinajpur rajbari,main gate, dinajpur jomidar bari, dinajpur historicl place
Rajbari

নবাব মুর্শিদকুলী খাঁর পর মুর্শিদাবাদের নবাব রূপে মসনদে বসেন শুজাউদ্দীন মুহম্মদ খাঁ । ১৭৩৩ খ্রিস্টাব্দে বিহার প্রদেশ বাংলা নবাবি’র সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। এই সময় শুজাউদ্দীন ঢাকায় এবং বিহার ও উড়িষ্যা শাসনের জন্য আরও দুইজন নায়েব নাজিম নিযুক্ত করেছিলেন। এদিকে ১৭২২ খ্রিস্টাব্দে দিনাজপুরের রাজা প্রাণনাথ মারা গেলে তাঁর উত্তরাধিকারী রাজা রামনাথ রায় রাজসিংহাসনে বসেন । ক্ষমতায় এসে রাজা রামনাথ পতিরাম, পত্নীতলা ও গঙ্গারামপুর অঞ্চল অধিকার করেন । এরপর তিনি গৌড়ের পথে মালদহের চাঁচল, খরবা ও গাজোল পরগনা অধিকার করতে থাকেন । সামগ্রিকভাবে তাঁর রাজ্যের আয়তন ও সামরিক ক্ষমতা প্রভূত বৃদ্ধি পায় ।

Dinajpur rajbari,main gate, dinajpur jomidar bari, dinajpur historicl place

রাজা রামনাথের বিরাট ক্ষমতা ও ঐশ্বর্য দেখে নবাব সুজাউদ্দিন অত্যন্ত শঙ্কিত হয়ে পড়েন । তিনি রংপুরের নব নিযুক্ত মুঘল ফৌজদার সৈয়দ মহম্মদ খাঁ কে দিনাজপুর আক্রমণ ও দখলের আদেশ দেন । সৈয়দ মহম্মদ খাঁ’ও রামনাথ এর ক্ষমতার প্রতি ঈর্ষান্বিত ও ক্ষুব্ধ ছিল । কথিত যে, সৈয়দ মহম্মদ খাঁ এক বিশাল সেনাবাহিনী সঙ্গে নিয়ে দিনাজপুর শহরে নিকটবর্তী রাজবাড়ি আক্রমণ ও লুঠ করতে এগিয়ে আসেন। অমিত ক্ষমতাশালী রাজা রামনাথও এক বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে এগিয়ে চললেন সৈয়দ মহম্মদ খাঁ ও তার নবাবি সৈন্যবাহিনীর সাথে যুদ্ধ করতে। দুপক্ষের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ শুরু হয় । দিনাজপুর সৈন্যবাহিনী’র পরাক্রমে নবাবী সেনা কার্যত ধূলিসাৎ হয়ে যায় । সৈয়দ মহম্মদ খাঁ পরাজিত হয়ে শেষ পর্যন্ত রাজা রামনাথের হাতে বন্দী হলেন।

অবশেষে মুর্শিদাবাদের নবাব সুজাউদ্দিন খান, রাজা রামনাথ রায়’র সাথে সন্ধি করেন এবং নবাবের অনুরোধে পরে পরাজিত সৈয়দ মহম্মদ খাঁকে রামনাথ মুক্তি দিয়েছিলেন।

Dinajpur rajbari,main gate, dinajpur jomidar bari, dinajpur historicl place
Rajbari

English Language

The palace was a symbol for the greater Dinajpur district from 1806 to 1951.The building is divided into 3 mahals, these are the Aina Mahal which houses a court house decorated with glass and marble, a library and a treasure house (Toshakhana), in addition to the Rajbari consists of the Mahal Rani, in which part of the old structure was demolished in the 30’s to build a building that is used as a shelter for families run by the Department of Social Services. The Aina Mahal also contained a musical demonstration assembly, known as Jalsa Ghar.The palace was abandoned after the abolition of the zamindari system in 1951.Maharaja Girijanath of Dinajpur left the palace after the partition of the country and moved with his family to India.The palace is one of the oldest in Bangladesh. The origins of Rajbari are not very clear,but according to local historians the palace was established by Raja Dinaj, but there is documentation that King Sri Matta Dutta founded the palace. During the reigns of Pran Nath & Ram Nath the Aina Mahal was built. It is also believed that the founder of Rajbari was the King Raja Ganesh in the early 15th century. Part of the Rajbari structures were established by different Zamindars and Rajas. The Rajbari occupies 16.41 acres of land, and much of the structure is in ruins. Since the East Bengal State Acquisition and Tenancy Act of 1950, the ownership of the Rajbari was transferred to the government. In the East Pakistan period during the Ayub Khan regime, Rajbari objects such as furniture, silver weapons and bronze utensils were sold.

Dinajpur rajbari,main gate, dinajpur jomidar bari, dinajpur historicl place
Rajbari Tantajew temple
Dinajpur rajbari,main gate, dinajpur jomidar bari, dinajpur historicl place
kantagew potima

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *